সোশ্যাল মিডিয়া কি? জেনে নিন সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিহাস

311
সোশ্যাল মিডিয়া

সোশ্যাল মিডিয়া! দৈনন্দিন জীবনের একটি বড় অংশ দখল করে নিয়েছে এই সোশ্যাল মিডিয়া শব্দটি। যা বাংলায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবেও পরিচিত। ইন্টারনেট ব্যবহার করেন কিন্ত কোন সোশ্যাল মিডিয়াতে যুক্ত নেই এমন মানুষ এখন নেই বললেও ভুল হবেনা। এই যেমন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটেই দেখুন, ইন্টারনেট ব্যবহারকারী প্রতিটি মানুষ এখন ফেসবুক, ইউটিউব কিংবা হোয়াটসঅ্যাপ, ইমোর মতো কোন না কোন প্লাটফর্মে যুক্ত আছেই। এসব সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমগুলো নিয়ে তৈরি হয়েছে আরেকটি জীবন। যা সম্পূর্ণ কৃত্রিম। যাকে সবাই ভার্চুয়াল লাইফ হিসেবেই চিনে। দুঃখজনক হলেও সত্য যে, সোশ্যাল মিডিয়ার আসক্তি এতটাই বেড়ে গিয়েছে যে, বাস্তব জীবনের চাইতে দখলদারিত্ব বেশি এখন ভার্চুয়াল জীবনের।

সোশ্যাল মিডিয়া শব্দটি এখন আমাদের জীবনে এভাবেই একটি বড় অংশ হয়ে উঠেছে। কিন্ত, কখনও কি মনে হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া জিনিসটা আসলে কি? কিংবা কিভাবে আজকের সোশ্যাল মিডিয়ার জগতটা তৈরি হল? বেশিরভাগ সোশ্যাল মিডিয়া ইউজারদের কাছেই পরিষ্কারভাবে জানা নেই সোশ্যাল মিডিয়ার সংজ্ঞা কিংবা এর ইতিহাস। ভার্চুয়াল ভুবনের আজকের পোস্টে আমরা জানব, সোশ্যাল মিডিয়া কি এবং সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিহাস।

সোশ্যাল মিডিয়া কি?

সোশ্যাল মিডিয়া কি

সোশ্যাল মিডিয়া (Social Media) আসলে বিভিন্নভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়। বাংলায় একে বলা হয় সামাজিক মাধ্যম বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। যে ওয়েবসাইট বা এপ্লিকেশনে এর ব্যবহারকারী তাৎক্ষনিকভাবে বিভিন্ন কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারে, অন্যদের সাথে যোগাযোগ কিংবা অনুভূতি আদান প্রদান করতে পারে তাকে সোশ্যাল মিডিয়া বলা হয়। অর্থাৎ, সোশ্যাল মিডিয়া হল এমন কোন তথ্য-প্রযুক্তি নির্ভর মাধ্যম যেখানে এর ব্যবহারকারীরা মিলে একটি ভার্চুয়াল কমিউনিটি বা কৃত্রিম সমাজ গড়ে তোলে। সোশ্যাল মিডিয়া মূলত অনলাইন বা ইন্টারনেট সংযোগ নির্ভর হয়ে থাকে। আর সোশ্যাল মিডিয়াগুলোও বিভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে। কোনটি ওয়েবসাইট নির্ভর আবার কোনটি হয়ত মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন নির্ভর। কোন সোশ্যাল মিডিয়া শুধু একে অপরের সাথে যোগাযোগ করার সুবিধা দিয়ে থাকে। আবার কোনটি হয়তবা ভিডিও দেখার সুযোগ দেয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ‘ফেসবুক’ এর ব্যবহারকারীদেরকে একে অপরের সাথে তাৎক্ষনিক যোগাযোগ এবং তাঁদের মুহূর্তগুলোকে একে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দেয়। আবার, অন্যদিকে ‘ইউটিউব’ ভিডিও দেখার সুযোগ করে দেয়। যে ভিডিওগুলো অন্য কোন ইউটিউব ব্যবহারকারীর আপলোড করা।

সবচেয়ে সহজ বাংলায় সোশ্যাল মিডিয়াকে সংজ্ঞায়িত করলে, সোশ্যাল মিডিয়া মানেই অনলাইন কমিউনিটি। অর্থাৎ, কোন অ্যাপ বা ওয়েবসাইট সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হিসেবে তখনই গণ্য হবে, যখন এর কন্টেন্টগুলো তৈরি করবে এর ব্যবহারকারীরাই। যেমনঃ ফেসবুকের প্রতিটা পোস্ট কোন না কোন ইউজার তৈরি করছে। আবার সেটি দেখছেও অন্য ইউজাররা। ইউটিউবে এর ব্যবহারকারীরাই ভিডিও আপলোড করছে এবং তাঁরাই আবার সেগুলো দেখছে। কিন্ত যদি এমন হতো, ইউটিউবে শুধুমাত্র ইউটিউব কর্তৃপক্ষরাই ভিডিও আপলোড করত এবং আমরা শুধু সেগুলো দেখতাম। তাহলে সেটাকে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম বলা যেত না। অর্থাৎ, সোশ্যাল মিডিয়ার মূল কনসেপ্ট হল শেয়ারিং!

সোশ্যাল মিডিয়ার ইতিহাস

সোশ্যাল মিডিয়া আইকন

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর এখন একটা বিপ্লব চলছে। সোশ্যাল মিডিয়ার যাত্রা অনেক আগে হলেও ২০১০ সালে মূলত দুনিয়া জুড়ে এর একটা বিপ্লব ঘটে। তখন থেকেই আসলে ব্যাপক আকারে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার বেড়েছে।

আমরা জানি, আধুনিক যুগের কোন প্রযুক্তিই রাতারাতি আবিষ্কার হয়নি। কম্পিউটার, ইন্টারনেট আবিষ্কারের বিভিন্ন নির্দিষ্ট সাল আমরা জেনে থাকলেও। আসলে শত শত বছরের বিভিন্ন কনসেপ্ট থেকেই সেগুলো আবিষ্কার হয়েছে। তেমন ইতিহাস রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া জগতের উদ্ভাবনের ক্ষেত্রেও। সোশ্যাল মিডিয়ার মূল ধারণা ইন্টারনেট আবিষ্কারের পর থেকে হলেও এর প্রয়োজনীয়তা চিঠি আদান প্রদানের যুগ থেকেই অনুভব করেছে মানুষ। কারণ, সোশ্যাল মিডিয়ার মূল ফিচারই হল সহজতর যোগাযোগ ব্যবস্থা। তাই, টেলিগ্রাফ, টেলিফোন এসব যোগাযোগ প্রযুক্তির আবিষ্কারের মধ্য দিয়েই যে আজকের আধুনিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর উন্নতি ঘটেছে তা অস্বীকার করার উপায় নেই।

শুরুটা ছিল ই-মেইল চালাচালির মাধ্যমে…

১৯৭১ সালে Ray Tomlinson নামের একজন কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার প্রথম ই-মেইল পাঠিয়েছিলেন। যদিও সেটা পরীক্ষামূলক ছিল। ক্যামব্রিজে তিনি পাশাপাশি এক কম্পিউটার থেকে আরেক কম্পিউটারে পরীক্ষামূলকভাবে মেইল চালাচালি করেন। অনেকেই মনে করেন সেই প্রথম ই-মেইল পাঠানোর মধ্য দিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ার উদ্ভাবন হয়। এরপর ১৯৮৬ সালে Eric Thomas নামের আরেক প্রোগ্রামার Listserv নামের একটি সফটওয়্যার ডেভেলপ করেন। অটোমেটেড মেইলিং লিস্ট ধারণার উপর ভিত্তি করেই সেই সফটওয়্যারটি তৈরি করেছিলেন তিনি। যার মাধ্যমে একটি মেইল পাঠালেই নির্দিষ্ট ইউজারদের কাছে সেই মেসেজ চলে যাবে।

অতঃপর, চ্যাটিং উদ্ভাবন!

এরপর ১৯৮৮ সালে উদ্ভাবন হয় Internet Relay Chat। যার মাধ্যমে একটি নেটওয়ার্কের আওতায় এর ক্লায়েন্টরা ইনস্ট্যান্ট / রিয়েল টাইম মেসেজিং করতে পারে। Jarkko Oikarinen আবিষ্কার করেছিলেন IRC নামের সেই প্রথম চ্যাটিং সিস্টেম। আর এর মধ্য দিয়েই চ্যাটিং ফিচারের যাত্রা শুরু হয়।

প্রথম সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের যাত্রা শুরু

এবার আসা যাক ১৯৯৬ সালে। এইসময় তৈরি হয় Sixdegrees.com নামের একটি সাইট। যেটিকে প্রথম সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট হিসেবে ধরা হয়। Sixdegrees প্লাটফর্মটি তৈরি করেছিলেন Andrew Weinreich। বিশ্বের প্রথম এই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে প্রোফাইল তৈরি এবং ফ্রেন্ড লিস্ট ফিচারটি ছিল।

Sixdegrees সাইটটি প্রথম সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্লাটফর্মের ধারণা দেওয়ার পর ২০০২ সালে আসে Friendster নামের একটি প্লাটফর্ম। যাকে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোর মাঝে অগ্রদূত বলা হয়। এর জনপ্রিয়তার কারণে ২০০৩ সালে ৩০ মিলিয়ন ডলারে Friendster কেনার প্রস্তাব দিয়েছিল গুগল। সেই প্রস্তাব প্রত্যাখাত হলেও ২০১৫ সালে এটি বিক্রি হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তা মালয়শিয়া ভিত্তিক একটি গেমিং সাইট হিসেবে তৈরি করা হয়। যদিও এখন তা পুরোপুরি বন্ধ।

এরপর এলো প্রফেশনালদের জন্য সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্লাটফর্ম

সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ধারণার জনপ্রিয়তার ধারাবাহিকতায় ভার্চুয়াল জগতে আসে LinkedIn। অনলাইন সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংকে প্রফেশনাল এবং ব্যবসায়ের কাজে লাগাতেই মূলত তাঁদের যাত্রা হয়। যার বর্তমান ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০০ মিলিয়নেরও বেশি। উল্লেখ্য যে, লিংকড ইন প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৩ সালে। একই বছর আরেকটি সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট যাত্রা শুরু করেছিল। আর তা হল MySpace। এই প্লাটফর্মটি ২০০৫ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল।

ফেসবুকের যাত্রা শুরুর গল্প

এর এক বছর পর, অর্থাৎ ২০০৪ সালে তৈরি হয় Facebook। যা বর্তমানে পৃথিবীর সবথেকে জনপ্রিয় এবং সর্ববৃহৎ সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট। ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে সবাই মার্ক জাকারবার্গকে চিনলেও। আসলে তিনি তাঁর ৪ জন বন্ধু এবং রুমমেটকে সাথে নিয়ে ফেসবুক বানিয়েছিলেন। প্রথমে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে এর ব্যবহার শুরু হলেও। ধীরে ধীরে আশেপাশের কলেজ / বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ফেসবুক ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। ২০০৪ সালে ফেসবুক চালু হলেও ২০০৬ সালে এটি বিশ্বব্যাপী ব্যবহারের জন্য প্রথম উন্মুক্ত করা হয়। যার বর্তমান ব্যবহারকারীর সংখ্যা ২.৪ বিলিয়নেরও বেশি।

প্রথম ভিডিও শেয়ারিং প্লাটফর্ম

২০০৫ সালে তৈরি হয় ভিন্নধর্মী সোশ্যাল মিডিয়া সাইট YouTube। যা তৈরি করেছিল পেপালের সাবেক কিছু কর্মী। যদিও বর্তমানে এটি গুগলের মালিকানাধীন কোম্পানী। ইউটিউবের মাধ্যমে যেকেউ ভিডিও কন্টেন্ট আপলোড করতে পারে এবং তা অন্যরা দেখতে পারে।

মাইক্রোব্লগিং প্লাটফর্ম টুইটারের আগমন

বর্তমানের অন্যতম জনপ্রিয় আরেকটি সোশ্যাল মিডিয়া সাইট হল Twitter। যা যাত্রা শুরু করেছিল ২০০৬ সালে। অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া সাইটগুলোর থেকে ভিন্নধর্মী ফিচার এনে নজরে আসে টুইটার। শুধু ১৪০ অক্ষরের মাঝে বার্তা পোস্ট করার ফিচারের জন্য জনপ্রিয়তা পায় এটি। সেলিব্রেটিদের মাঝে সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্ম হিসেবে টুইটারের গ্রহণযোগ্যতা বেশি।

বিজ্ঞাপনবিহীন জনপ্রিয় চ্যাটিং অ্যাপ

এরপর আসে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং করার অ্যাপ WhatsApp। ২০০৯ সালে যাত্রা শুরু করা হোয়াটসঅ্যাপ জনপ্রিয়তা পায় এর ইউজার ফ্রেন্ডলি ইন্টারফেসের জন্য এবং বিজ্ঞাপন মুক্ত হওয়ায়। বর্তমানে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১.৫ বিলিয়নের বেশি এবং ফেসবুকের মালিকানাধীন।

সোশ্যাল মিডিয়ার সেকাল-একাল

সোশ্যাল মিডিয়ার সেকাল-একাল

সেই প্রথম ই-মেইল চালাচালির মধ্য দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ধারণা প্রথম প্রকাশ পেলেও। এরপর আমরা জেনেছি কিভাবে আমরা পেলাম উন্নত সব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং/মিডিয়া প্লাটফর্ম ব্যবহারের সুযোগ। ২০০৯ সাল পর্যন্ত LinkedIn, Facebook, Twitter, WhatsApp এর মত বেশ কয়েকটি জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের জন্ম হলেও আসলে তাঁর বিকাশ হয় ২০০৯ সালের পর। আর সেকারণে ২০০৯ সালের পর থেকে এখন পর্যন্ত এই সময়কালকে সোশ্যাল মিডিয়ার বিপ্লব হিসেবে ধরা হয়ে থাকে। এই দীর্ঘ সময়ে মার্কেটে যেমন এসেছে অত্যাধুনিক সব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং প্লাটফর্ম। তেমনি জনপ্রিয়তার তুঙ্গে উঠেছে ২০০৯ সালের আগে যাত্রা শুরু করা সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলো। ২০১০ সালে Instagram, ২০১১ সালে Snapchat যাত্রা শুরু করে। স্ন্যাপচ্যাটের জনপ্রিয়তা এতো বেড়ে গিয়েছিল যে, এটিই অন্যতম প্লাটফর্ম যা ফেসবুকের সাথে কঠিন প্রতিযোগিতায় পাল্লা দিয়েছিল। শেষ পর্যন্ত Instagram কে দমাতে এটিকে কিনে নিয়েছিল ফেসবুক। ২০১৩ সালে দুনিয়াব্যাপী সেলফির একটা সাড়াজাগানো ট্রেন্ড সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয়তা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া TikTok এখন জনপ্রিয় একটা সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ।

বর্তমানে পৃথিবী জুড়ে হাজার হাজার সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ আছে। নিত্য নতুন অসংখ্য ফিচার নিয়ে আসছে প্লাটফর্মগুলো। যার ফলে সেগুলোতে বুদ হয়ে আছে মানুষরা। গড়ে উঠেছে ভার্চুয়াল লাইফ। বাস্তব জীবনের চাইতেও বর্তমানে আধিপত্য বেশি এই ভার্চুয়াল লাইফের। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ার জগতকে লেখার মাধ্যমে বিশেষায়িত করা অনেক কঠিন একটি কাজ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) সম্পন্ন ফিচার আসছে আমাদের ব্যবহৃত সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মগুলোতে। যা শীঘ্রই অন্যমাত্রার এক্সপেরিয়েন্স দিবে আমাদের। এভাবেই এগিয়ে যাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগের জগত। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর সর্বশেষ খবরাখবর পেতে ভার্চুয়াল ভুবন -এর সাথেই থাকুন। ধন্যবাদ…

আপনার মতামত দিন

দয়া করে আপনার মতামতটি লিখুন
দয়া করে আপনার নামটি লিখুন